আল্লাহর সাথে ও আল্লাহর পথে থাকুন।
ঠকবেন না।
অন্যকে ঠকিয়ে বা তাদের হক নষ্ট করে কিছু পেলে বা জিতলে আপনি জীবনের মত ঠকে গেলেন।
আল্লাহর সাথে থেকে এই দুনিয়ার কিছু না পেলেও কোন আফসোস করবেন না। আপনি আল্লাহকে পেয়েছেন, এটাই আসমান ও দুনিয়ার সব কিছুর চেয়েও মহামূল্যবান।
Dr Abul Kalam Azad
Dr Abul Kalam Azad is a UK qualified teacher, educationalist, principal, a public and TV speaker
*কোরআনের সূর মন ভরপুর*
আসুন, কোরআনের সুমিষ্ট সুরে সুরে মনটা ভরে নিন এক পরম ঘরোয়া সন্ধ্যায়।
প্রধান ক্বারীঃ
শায়খ মুস্তাকীম বিল্লাহ
ও
খুলনার অন্যান্য বিখ্যাত ক্বারীবৃন্দ
দিনঃ শুক্রবার
সময়ঃ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা
তারিখঃ ১৯শে জুন ২০২৬
স্থানঃ
আন-নাহল একাডেমি
১৪০ আউটার বাইপাস রোড
(খুলনা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পশ্চিম পাশে)
কলাবাগান মোড়
ছোট বয়রা
খুলনা
নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী ও শিশুরা আমন্ত্রিত
যোগাযোগঃ
+8801905592125
www.annahlacademy.org
07/06/2026
ঘরে বসেই অনলাইনে সেরা ইসলামিক এডুকেশন। ট্রাই করে দেখুন।
সাফীর অনলাইন মাদরাসা (SOM) থেকে আমার বিদায়।
আলহামদুলিল্লাহ, কোভিড-১৯ মহামারীর সময় আমরা বিশ্বব্যাপী শিক্ষার্থীদের কাছে মানসম্মত ইসলামী শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সেফীর অনলাইন মাদরাসা (SOM) প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। এই উদ্যোগটি প্রতিষ্ঠা করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল ড. মাহমুদ সাঈদের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে। আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহে আমরা কয়েক বছর ধরে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে সেবা দিতে সক্ষম হয়েছি।
তবে সময়ের সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানটির ভিশন, পরিচালনা পদ্ধতি এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে আমাদের মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে আমি গভীরভাবে অনুভব করেছি যে, SOM-এর প্রতিষ্ঠাকালীন যে গুণগত মান, আদর্শ এবং লক্ষ্য ছিল, তা ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছিল।
দুঃখজনকভাবে, আমি যে স্বপ্ন ও মিশন নিয়ে SOM প্রতিষ্ঠা করেছিলাম, নেতৃত্বের মাধ্যমে তা আমার প্রত্যাশিত পদ্ধতিতে বাস্তবায়িত হচ্ছিল না।
তবুও আমি কখনো চাইনি SOM বন্ধ হয়ে যাক। কারণ এটি অনেক সহকর্মীর জীবিকার উৎস এবং অসংখ্য শিক্ষার্থীর জন্য একটি উপকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তাই আমি মনে করেছি, বিদ্যমান নেতৃত্বের কাছেই প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ মালিকানা ও দায়িত্ব হস্তান্তর করা অধিকতর উপযুক্ত হবে।
আলহামদুলিল্লাহ, বর্তমানে আমি এবং আমার স্ত্রী লন্ডনভিত্তিক একটি নতুন ও ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষা উদ্যোগ Safeer English Madrasah (SEM) নিয়ে কাজ করছি। এখানে আন্তর্জাতিক Pearson Edexcel Curriculum-ভিত্তিক পূর্ণকালীন হোমস্কুলিংয়ের পাশাপাশি উচ্চমানের ইসলামী শিক্ষা প্রদান করা হয়। আমাদের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে হিফজুল কুরআন, কুরআনিক আরবি, ইসলামী শিক্ষা, লাইফ স্কিলস, এবং খণ্ডকালীন আলিমিয়্যাহ ও হিফজ প্রোগ্রাম।
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
www.safeerenglishmadrasah.org
অনেক কষ্ট ও আন্তরিক প্রচেষ্টার পরও SOM-কে আমার কল্পিত গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারার বিষয়টি আমাকে ব্যথিত করেছে। তাই গভীর চিন্তাভাবনা ও ইস্তিখারার পর আমি প্রতিষ্ঠানটি থেকে সরে দাঁড়ানোর কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি (তারিখঃ শুক্রবার ৫ই জুন ২০২৬)
আমার আন্তরিক দোয়া, এই পরিবর্তনের ফলে যেন শিক্ষার্থীরা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং তারা যেন বিশুদ্ধ, সহীহ ও উপকারী ইসলামী শিক্ষা লাভ করতে থাকে।
আমি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার নিকট দোয়া করি, তিনি যেন SOM-এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে কল্যাণের পথে পরিচালিত করেন, আমাদের সবার ভুলত্রুটি ক্ষমা করেন এবং দ্বীনের খেদমত করার তাওফীক দান করেন।
আমার পক্ষ থেকে কোনো ভুল, ত্রুটি বা কষ্ট হয়ে থাকলে আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সঠিক পথে চলা এবং একনিষ্ঠতার সাথে তাঁর দ্বীনের খেদমত করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
ড. আবুল কালাম আজাদ
চেয়ারম্যান
UK-Safeer Education (USE)
Mobile and WhatsApp: +447861467847
📧 [email protected]
East London, United Kingdom
জরুরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
হিফজুল কুরআনের শিক্ষক/শিক্ষিকা (পুরুষ ও মহিলা) আবশ্যক
আধুনিক এডেক্সেল কারিকুলাম ও মাদানী শিক্ষার সমন্বয়ে পরিচালিত আন-নাহল একাডেমী, খুলনা-এর জন্য জরুরি ভিত্তিতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ হিফজুল কুরআনের শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগ করা হবে।
যোগ্যতা
- সহীহ তিলাওয়াত ও তাজবীদে দক্ষ হতে হবে।
- হিফজ সম্পন্ন (হাফেজ/হাফেজা) হতে হবে।
- শিশুদের হিফজ, নাযেরা ও কুরআন শিক্ষাদানে অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
- উত্তম চরিত্র, দায়িত্বশীলতা ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিকতা থাকতে হবে।
-ইংরেজী ও আরবিতে লেসন নেওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে।
বেতন
১২,০০০ টাকা – ২৫,০০০ টাকা প্রতিমাসে
(যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে)
কর্মস্থল
আন-নাহল একাডেমী
১৪০ আউটার বাইপাস রোড, কলাবাগান মোড়, ছোট বয়রা, খুলনা
আবেদন করার পদ্ধতি
আপনার CV ও প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠান:
Email: [email protected]
মোবাইল: +8801720549943
WhatsApp: +447861467847
www.annahlacademy.org
যোগ্য প্রার্থীদের দ্রুত আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
আন-নাহল একাডেমী, খুলনা
হিফজ ও কুরআনকেন্দ্রিক এডেক্সেল ও মাদানী কারিকুলামের আধুনিক ইসলামী একাডেমী
26/05/2026
একটি কুরবানিই কি পুরো পরিবারের জন্য যথেষ্ট?
উত্তর দিচ্ছেন ডঃ আবুল কালাম আজাদ, লন্ডন
ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে একটি পরিবার বা একই গৃহের সদস্যদের পক্ষ থেকে একটি কুরবানিই যথেষ্ট হতে পারে। প্রত্যেক সদস্যের জন্য আলাদা পশু কুরবানি করা আবশ্যক নয়। এমনকি একটি ছাগলও পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে কুরবানি করা যেতে পারে, যদি নিয়ত করা হয় যে এটি পরিবারের সকল সদস্যের পক্ষ থেকে।
সাহাবায়ে কেরামের যুগে এটাই ছিল প্রচলিত সুন্নাহ ও আমল। পরবর্তীকালে মানুষের মাঝে বাহাদুরি, সামাজিক প্রতিযোগিতা ও লোক দেখানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকে মনে করতে শুরু করেছে যে পরিবারের প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য আলাদা কুরবানি করা জরুরি। অথচ শরীয়তের মূল দলীলগুলো ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে।
কুরবানির প্রকৃত উদ্দেশ্য
কুরবানি মূলত আল্লাহর প্রতি আনুগত্য, তাকওয়া, ত্যাগ ও আত্মসমর্পণের প্রতীক। এটি কেবল মাংস বিতরণের অনুষ্ঠান নয়; বরং ঈমান, ভালোবাসা ও ইখলাসের ইবাদত।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
> لَن يَنَالَ اللَّهَ لُحُومُهَا وَلَا دِمَاؤُهَا وَلَـٰكِن يَنَالُهُ التَّقْوَىٰ مِنكُمْ
“আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না তাদের গোশত বা রক্ত; বরং পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া।”
— সূরা আল-হাজ্জ: ৩৭
অতএব, কুরবানির মূল বিষয় হলো আন্তরিকতা ও তাকওয়া; সংখ্যার বাহাদুরি নয়।
হাদীসের দলীল
১. আবু আইয়ূব আল-আনসারী (রা.)-এর বর্ণনা
عطاء بن يسار رحمه الله বলেন:
> “আমি আবু আইয়ূব আল-আনসারী (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর যুগে কুরবানি কিভাবে করা হতো? তিনি বললেন, একজন ব্যক্তি নিজের ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি বকরী কুরবানি করতেন। তারা নিজেরাও তা খেতেন এবং অন্যদেরও খাওয়াতেন। এরপর মানুষ এতে গর্ব ও প্রতিযোগিতা শুরু করে, যেমনটি আজ তোমরা দেখছ।”
— সুনান ইবনে মাজাহ, সুনান তিরমিযী
ইমাম তিরমিযী (রহ.) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
এই হাদীস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর যুগে একটি পশুই পুরো পরিবারের জন্য যথেষ্ট গণ্য হতো।
২. রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর নিজের আমল
হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) বলেন:
> “আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সাথে ঈদের মাঠে কুরবানি প্রত্যক্ষ করেছি। তিনি খুতবা শেষ করে মিম্বর থেকে নামলেন। এরপর একটি দুম্বা আনা হলো। তিনি নিজ হাতে সেটি জবাই করলেন এবং বললেন:
بِسْمِ اللهِ وَاللهُ أَكْبَرُ، هَذَا عَنِّي وَعَمَّنْ لَمْ يُضَحِّ مِنْ أُمَّتِي
‘আল্লাহর নামে, আল্লাহ সবচেয়ে মহান। এটি আমার পক্ষ থেকে এবং আমার উম্মতের যেসব লোক কুরবানি করতে পারেনি তাদের পক্ষ থেকেও।’”
— সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং ২৮১০
এই হাদীস প্রমাণ করে যে একজনের কুরবানির সওয়াব অন্যদের পক্ষেও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
ফকীহ ও মুহাদ্দিসদের মতামত
ইমাম শাওকানী (রহ.)
প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ও ফকীহ Muhammad al-Shawkani বলেন:
> “এই হাদীসে প্রমাণ রয়েছে যে, একটি বকরী পুরো পরিবারের জন্য যথেষ্ট। কারণ সাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর যুগে এভাবেই আমল করতেন এবং তিনি তা জেনে কোনো আপত্তি করেননি। ... সঠিক মত হলো, একটি কুরবানি পুরো পরিবারের জন্য যথেষ্ট, যদিও পরিবারের সদস্য সংখ্যা একশত বা তারও বেশি হয়।”
— নাইলুল আওতার, ৫/১৮২
ইমাম নববী (রহ.)-এর আলোচনা
Yahya ibn Sharaf al-Nawawi উল্লেখ করেন যে, একটি ছাগল একজন ব্যক্তির পক্ষ থেকে মূল কুরবানি হিসেবে আদায় হলেও তার পরিবারের সদস্যরা সওয়াবে অংশীদার হতে পারেন।
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যা (রহ.)
Ibn Taymiyyah বলেন যে, একটি পরিবারের লোকেরা যদি একসাথে বসবাস করে এবং তাদের ব্যয় ও জীবনযাপন একত্র হয়, তাহলে একটি কুরবানি পুরো পরিবারের জন্য যথেষ্ট হতে পারে।
চার মাযহাবের আলোচনার সারাংশ
হানাফী মাযহাব
হানাফী ফিকহ অনুযায়ী, যার ওপর কুরবানি ওয়াজিব হওয়ার শর্ত পূরণ হয়, তার জন্য পৃথক কুরবানি ওয়াজিব বলে গণ্য করা হয়। তবে পরিবারের প্রধান যদি সবার পক্ষ থেকে কুরবানির নিয়ত করেন, তাহলে সবাই সওয়াবে অংশীদার হবেন।
মালেকী, শাফেয়ী ও হাম্বলী মাযহাব
এই মাযহাবগুলোর বহু আলেমের মতে, একটি কুরবানি পুরো পরিবারের জন্য যথেষ্ট হতে পারে, বিশেষত যদি তারা একই পরিবারভুক্ত ও একত্রে বসবাসকারী হয়।
বর্তমান সমাজে কিছু ভুল ধারণা
আজকাল অনেকেই মনে করেন:
পরিবারের প্রতিটি সদস্যের নামে আলাদা পশু না দিলে কুরবানি হবে না।
বেশি পশু মানেই বেশি তাকওয়া।
বড় কুরবানি সামাজিক মর্যাদার প্রতীক।
এসব ধারণা শরীয়তের মৌলিক শিক্ষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ইসলামে সহজতা, আন্তরিকতা ও ভারসাম্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
> “এই দ্বীন সহজ।”
— সহীহ বুখারী
কুরবানিতে ভারসাম্য প্রয়োজন
অনেক পরিবার ঋণ করে, কষ্ট করে বা সামাজিক চাপের কারণে অতিরিক্ত কুরবানি করে। অথচ একই টাকায়:
গরিব আত্মীয়কে সাহায্য করা,
এতিমের পাশে দাঁড়ানো,
শিক্ষায় সহায়তা করা,
অভাবী মানুষের চিকিৎসা করানো
ইত্যাদি বড় সওয়াবের কাজও করা যেতে পারে।
অবশ্যই কুরবানি একটি মহান ইবাদত; তবে ইবাদতে প্রতিযোগিতা নয়, বরং তাকওয়া ও ইখলাসই মুখ্য।
সংক্ষিপ্তভাবে (In short)
সহীহ হাদীস ও সাহাবায়ে কেরামের আমল থেকে প্রমাণিত হয় যে, একটি কুরবানি পুরো পরিবারের জন্য যথেষ্ট হতে পারে। পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের জন্য আলাদা কুরবানি করা আবশ্যক নয়। তবে সামর্থ্য থাকলে একাধিক কুরবানি করা জায়েয ও সওয়াবের কাজ। কুরবানির মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি, তাকওয়া, ত্যাগ ও আনুগত্য অর্জন করা — বাহাদুরি বা সামাজিক প্রতিযোগিতা নয়।
তথ্যসূত্র
সুনান ইবনে মাজাহ
সুনান তিরমিযী
সুনান আবু দাউদ (২৮১০)
সহীহ বুখারী
নাইলুল আওতার – ইমাম শাওকানী
আল-মাজমু‘ – ইমাম নববী
মাজমু‘ আল-ফাতাওয়া – ইবনে তাইমিয়্যা
ফাতাওয়া নাযিরিয়্যাহ (৩/২৪৪)
মাজমু‘ ফাতাওয়া মুহাদ্দিসুল আসর আল্লামা আবদুর রহমান মুবারকপুরী (পৃষ্ঠা ৪৯৪–৪৯৫)
বাবারা তোমরা দুনিয়াদারী করো না। এই সব সরকারী সনদের পেছনে দৌড়াওনা।
আমি দুনিয়াদারদের পেছনে পেছনে ছুটি তোমাদের রুটি -রোজগারের জন্যে।
আর আমার মেয়েদের লন্ডন-আমেরিকার ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার জামাইদের বিয়ে দিয়েছি যাতে ওরা সেখানে দাওয়াতী কাজ করতে পারে।
বাবারা আমার নসিয়তটা শুনো।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Website
Address
London