TET & STGT Adda

TET & STGT Adda

Share

It is created for the purpose of helping Exam aspirants with their preparation in bothTET,STGT, exam,

30/05/2026
17/05/2026

সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) ঘোষণা করেছে যে নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের জন্য তিনটি ভাষা অধ্যয়ন করা বাধ্যতামূলক হবে, যা ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। নতুন শিক্ষানীতির অংশ হিসাবে শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষা, আঞ্চলিক ভাষা এবং অন্যান্য ভারতীয় ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

17/05/2026

চরম অবহেলার শিকার 2024 T-TET উত্তীর্ণরা !!!
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে প্রায় 1 বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও এখনও নেই কোনো নিয়োগ, যেখানে TET পরীক্ষার পরে STPGT পরীক্ষা হয়েছিল এবং তাদেরকে ইতিমধ্যে অফার লেটার দিয়ে দেওয়াও হয়েছে কিন্তু 2025 এপ্রিলে পরীক্ষা দেওয়া টেট উত্তীর্ণ এখনও তীর্থের কাকের মতো বসে আছে, হতাশাগ্রস্থ প্রায় 1500 টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীরা।
মানবিক আবেদন নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে রাজ্যের টেট উত্তীর্ণ বেকার চাকরিপ্রার্থীরা।

16/05/2026

প্রাপক: মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী তথা শিক্ষামন্ত্রী ত্রিপুরা সরকার আগরতলা, ত্রিপুরা

বিষয়: STGT 2025-এ অবশিষ্ট শূন্যপদ বৃদ্ধি ও পূরণের জন্য মানবিক ও জরুরি আবেদন।

মাননীয় মহোদয়,

সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্রহণ করবেন।

আমরা STGT 2025 পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী হাজার হাজার যোগ্য ও শিক্ষিত বেকার প্রার্থী। অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে আপনার নিকট আমাদের মনের কথা এবং বাস্তব পরিস্থিতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরতে চাই।

মাননীয় মহোদয়, ২০১৯ সালের পর থেকে দীর্ঘ ৭ বছর রাজ্যে STGT নিয়োগ কার্যত বন্ধ ছিল। এই দীর্ঘ সময়ে হাজার হাজার শিক্ষিত যুবক-যুবতী শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করেছেন, B.Ed সম্পন্ন করেছেন, TET/STGT-এর জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং পরিবারের বহু আশা-ভরসা নিয়ে অপেক্ষা করেছেন।

অবশেষে ২০২৫ সালে STGT পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় রাজ্যের শিক্ষিত বেকার সমাজের মধ্যে নতুন আশার আলো জেগেছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো, ৩০০০-এরও বেশি যোগ্য প্রার্থী pass mark অর্জন করলেও বর্তমান বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগের সংখ্যা রাখা হয়েছে মাত্র ৭০০টি।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে Graduate Teacher (Class IX-X) পদের মোট শূন্যপদ ছিল ৫৩০৪টি। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ২১৭৬-এ। অর্থাৎ দীর্ঘদিন নিয়োগ না হওয়ার ফলে ইতিমধ্যেই প্রায় ৩১২৮টি পদ বিভিন্ন প্রশাসনিক কারণে অবলুপ্ত হয়ে গেছে।

আজকের বাস্তবতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক—

• ২০২২ সালে শূন্যপদ ছিল — ৫৩০৪ • দীর্ঘ ৭ বছর নিয়োগ প্রায় বন্ধ ছিল • বর্তমানে শূন্যপদ — ২১৭৬ • ইতিমধ্যেই অবলুপ্ত — ৩১২৮ পদ • বর্তমান নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি — মাত্র ৭০০ পদ • অবশিষ্ট প্রায় ১৪৭৬টি পদ ভবিষ্যতে বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে

মাননীয় মহোদয়,

বর্তমানে রাজ্যের বহু বিদ্যালয়ে বিশেষ করে Class IX ও X-এ শিক্ষক সংকট অত্যন্ত প্রকট আকার ধারণ করেছে। বহু স্কুলে পর্যাপ্ত বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নেই। এর ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এর পাশাপাশি সম্প্রতি প্রকাশিত PGT merit list-এর মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে, বর্তমানে যারা STGT শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন, তাঁদের অনেকের নাম PGT merit list-এও এসেছে। স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা ভবিষ্যতে STGT পদ ছেড়ে PGT পদে যোগদান করবেন। ফলে স্কুলগুলিতে বিশেষ করে Class IX-X স্তরে শিক্ষক সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে STGT-এর অবশিষ্ট শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করা শুধু চাকরিপ্রার্থীদের দাবি নয় — এটি রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে রক্ষা করার জন্য অত্যন্ত জরুরি পদক্ষেপ।

মাননীয় মহোদয়,

বর্তমান বিজ্ঞপ্তিতেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে—

“The number of vacant posts may increase or decrease following requisition of the concerned department.”

অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের requisition অনুযায়ী পদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা সম্পূর্ণ সম্ভব। তাই আমরা বিশ্বাস করি, সরকার চাইলে মানবিক ও প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে অবশিষ্ট শূন্যপদ বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

এছাড়াও, যদি document verification ও appointment process এখনো সম্পূর্ণ শেষ না হয়ে থাকে, তাহলে recruitment process technically এখনো পুরোপুরি closed নয়। সেই ক্ষেত্রে waiting list বজায় রেখে অতিরিক্ত sanctioned post তৈরি করে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া বাস্তবসম্মত ও সম্ভবপর হতে পারে।

মাননীয় মহোদয়,

আমরা কোনো অযৌক্তিক দাবি করছি না। আমরা শুধু চাই— যোগ্য ও উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ন্যায্য সুযোগ দেওয়া হোক, বিদ্যালয়গুলির শিক্ষক সংকট দূর করা হোক, এবং ভবিষ্যতে আরও শূন্যপদ অবলুপ্ত হওয়ার আগেই সেগুলি পূরণ করা হোক।

আমরা বিশ্বাস করি—

• শিক্ষক বাঁচলে শিক্ষা বাঁচবে, • শিক্ষা বাঁচলে ভবিষ্যৎ গড়বে, • আর শিক্ষিত যুবসমাজকে বাঁচানো মানেই রাজ্যের ভবিষ্যৎকে রক্ষা করা।

আমরা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে আমাদের দাবি তুলে ধরছি। বহু প্রার্থী ডেপুটেশন, স্মারকলিপি, গণস্বাক্ষর অভিযান এবং পোস্ট অফিসের মাধ্যমে গণচিঠি পাঠিয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, আপনার মতো একজন শিক্ষক-সমাজ থেকে উঠে আসা মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চয়ই আমাদের কষ্ট, আমাদের অপেক্ষা এবং রাজ্যের বাস্তব শিক্ষা পরিস্থিতি উপলব্ধি করবেন।

তাই আপনার নিকট আমাদের বিনীত ও মানবিক আবেদন—

১. STGT 2025-এ অবশিষ্ট ১৪৭৬টি শূন্যপদ দ্রুত বৃদ্ধি করা হোক। ২. রাজ্যের সমস্ত অনুমোদিত শূন্যপদ ধাপে ধাপে পূরণ করা হোক। ৩. Waiting list বজায় রেখে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হোক। ৪. Class IX-X স্তরের শিক্ষক সংকট দূরীকরণের জন্য জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। ৫. ভবিষ্যতে আরও শূন্যপদ অবলুপ্ত হওয়ার আগে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হোক।

মাননীয় মহোদয়,

হাজার হাজার শিক্ষিত বেকার পরিবারের ভবিষ্যৎ আজ আপনার একটি সদয় সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে। আপনার মানবিক হস্তক্ষেপ বহু পরিবারের মুখে হাসি ফিরিয়ে আনতে পারে এবং একই সঙ্গে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

পরিশেষে, আমাদের এই ন্যায্য, বাস্তবসম্মত ও গণস্বার্থমূলক দাবির বিষয়ে সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

ধন্যবাদান্তে, বিনীত নিবেদক, STGT 2025 যোগ্য প্রার্থী বৃন্দ ত্রিপুরা

15/05/2026

সবাই একটা বিষয় খেয়াল করে দেখবেন যে PGT সব বিষয়ে পরীক্ষা হচ্ছে কিন্তু Education Subject পরীক্ষা হচ্ছে না , বিগত 2018 শেষ বারের মতো পরীক্ষা হয়েছিল , কিন্তু এখন পর্যন্ত Education বিষয়ের উপর পরীক্ষা কোনো আগ্রহ নেই , বিদ্যালয় গুলো তে কি এই বিষয় টি নেই , না আমার যারা Education নিয়ে পিজি করেছি আমাদের পাপ হয়েছে , খুব দু:খ লাগে যখন বিষয় টি মনে পড়ে , এর একটা প্রতিবাদ করা দরকার 🥺

12/05/2026

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রার্থনা

২১৭৬টি পদে নিয়োগ চায় এসটিজিটি উত্তীর্ণরা

09/05/2026

২৫ বৈশাখ: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী

আজ পঁচিশে বৈশাখ। বাঙালির হৃদস্পন্দন, বিশ্বনন্দিত সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দ (১২৬৮ বঙ্গাব্দ) এর এই দিনে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে তাঁর জন্ম। আজ তাঁর ১৬৫তম জন্মজয়ন্তীতে এই মহান মনীষীর প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

রবীন্দ্রনাথ মানেই বাঙালির আত্মপরিচয়। তিনি কেবল একজন কবি নন; তিনি আমাদের ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর এবং দার্শনিক। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য এশীয়দের মধ্যে প্রথম সাহিত্যিক হিসেবে নোবেল পুরস্কার জয় করে তিনি বাংলা ভাষাকে নিয়ে গেছেন বিশ্বমঞ্চে। তাঁর সৃষ্টি ছাড়া আমাদের উৎসব, প্রেম, বিরহ কিংবা প্রার্থনা—কিছুই যেন পূর্ণ হয় না।

রবীন্দ্রনাথের অমর কিছু সৃষ্টি:
সংগীত: দুই হাজারেরও বেশি গানের সুর ও কথা।
সাহিত্যের সকল শাখা: কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস ও নাটকের এক অনন্য ভাণ্ডার।
নোবেল জয়: ১৯১৩ সালে সাহিত্যে প্রথম এশীয় হিসেবে গৌরব অর্জন।
জাতীয় সংগীত: বাংলাদেশ ও ভারত—উভয় দেশের জাতীয় সংগীতই তাঁর অমর সৃষ্টি।
দীর্ঘ বর্ণাঢ্য কর্মজীবন শেষে ১৯৪১ সালের ২২ শ্রাবণ এই নশ্বর পৃথিবী থেকে তিনি বিদায় নেন। কিন্তু বাঙালির মননে তিনি আজও চির অম্লান।

Want your school to be the top-listed School/college in Agartala?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Agartala