19/05/2026
17ই মে রবিবার দীক্ষা স্কুল ভবনে বিকেলে অনুষ্ঠিত হোলো আজগুবিদের অনুষ্ঠান, মাঙ্গালোর থেকে ফিরে। ওদের কাছে এটাই একটা সুযোগ যেখানে ওরা জানাতে পারবে ওদের অভিজ্ঞতা, ওদের কিছু করতে পারা আর না পারার কথা।
ওরা জানাল খুব আগ্রহের সাথে প্রথম ট্রেন চলার, প্রথম পাহাড় কেউ কেউ প্রথম সমুদ্র। মন্দির, স্থাপত্য, শিল্প , পথ ঘাট বাড়ি, গাছ জঙ্গল।
পশ্চিম ঘাট পর্বতে কোলে মেঘে সাথে বৃষ্টি, যাওয়ার পথে কৃষ্ণা, গোদাবরী, চিলকা এইসব যেন গুগল, বইকে স্বচোক্ষে দেখা ।
এর মধ্যেই উঠে এলো, হাসি, খুশির জন্য চিন্তা, বাড়ির জন্য মন খারাপ, ধান উঠবে সব ঠিক ঠাক হবেতো।
মাঙ্গালোর থেকে আনা উত্তরিও
দিয়ে ওরা সন্মান জানালো
ওদের প্রিয় শিক্ষক দের যাদের উৎসাহে, প্রশিক্ষনে ওরা ওদের পরিবেশন নিয়ে যেতে পেরেছে।
ঋতদীপ, কাঞ্চন, সুর্মা ও প্রশান্ত দা কে ওরা সন্মান জানিয়েছে।
কিছু বন্ধুরা এসেছেন এই গরমে। না হলে ওরা কাদের বা বলতো।
পাড়া গুলো এখন ভোট, পরবর্তী অবস্থা, নতুন সরকার এসবেই মত্ত। এসব বেড়াতে যাবার গল্প সোনার লোক কোথায়।
যে কজন এসেছিলেন তাঁরা ওদের উৎসাহিত করেছে। আলোচনা হয়েছে এই ধরণের প্রয়াস কে পরবর্তীতে সার্থক করতে কি ভাবে এগোনো যায়, আজগুবিরা ভাবছে।
আজগুবিরা ভাবুক ওদেরকেই তো দাঁড় বাইতে হবে।
09/05/2026
*দীক্ষা বিদ্যালয়ে ২৫শে বৈশাখ উদযাপন*
দীক্ষা বিদ্যালয়ে কবিগুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২৫শে বৈশাখ, কবিপ্রণাম অনুষ্ঠান সাড়ম্বরে আয়োজিত হলো।
সহজ, সরল ও ঘরোয়া পরিসরে অনুষ্ঠিত এই কবি প্রণাম অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকমণ্ডলী কবিগুর রচিত গান, কবিতা ও নৃত্যের মধ্য দিয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
কবিগুর আদর্শ, দর্শন ও মানবিক চিন্তাকে সামনে রেখে সারা বছর ধরেই বিদ্যালয়ে এই সাংস্কৃতিক চর্চা ও অনুশীলন অব্যাহত রাখার প্রয়াস করা হয়।
উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এর মূলত গান ও কবিতা ও নাচ এইসবের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করা যায়, বন্ধুদের বলবো এ ব্যাপারে যদি কোনোভাবে সাহায্য করতে পারেন এরা উপকৃত হবে।
22/04/2026
*আজগুবিরা চললো মাঙ্গালোরে!*
বন্ধু সুভাষের ডাকে সাড়া দিয়ে আজগুবিরা পাড়ি দিচ্ছে মাঙ্গালোর। আগামী ২৩শে এপ্রিল রওনা — টানা ৭ দিন মাঙ্গালোর ও তার আশপাশ চষে বেড়াবে ওরা।
*কী থাকছে এই যাত্রায়?*
শুধু শহর দেখা নয়, শহরের প্রাণ ছুঁয়ে দেখা। মাঙ্গালোরের ইতিহাস, ঐতিহ্য, গলি-ঘুঁজি, মন্দির-সমুদ্র সব। তার সাথে মানুষের সাথে মানুষের আলাপ — স্কুলের ছাত্রছাত্রী, গ্রামের মানুষ, তাদের বাড়িঘর, উঠোন, রান্নাঘরের গল্প। চোখে চোখ রেখে জানা, শোনা, শেখা। আরও কত কী অপেক্ষায় আছে, সে গল্প ফিরে এসেই হবে।
*কেন এই উত্তেজনা?*
কারণ আজগুবিদের কাছে সবই ‘প্রথম’। প্রথম দূরপাল্লার ট্রেনের ঝমঝম শব্দ, প্রথম জানালা দিয়ে পাহাড় আর সমুদ্র দেখা, প্রথম ভিন রাজ্যে পা রাখা। প্রথমবার নিজেদের নাটক নিয়ে, পটের গান নিয়ে অন্য মাটিতে দাঁড়ানো। চোখে মুখে তাই শুধুই রোমাঞ্চ।
*সাথে যাচ্ছে আজগুবিদের নিজের ভাণ্ডার*
গত এক মাস ধরে দিনরাত এক করে তৈরি হয়েছে ওরা। কাঞ্চন ও ঋতদীপের পরিচালনায় সাজানো হয়েছে পট, পোস্টার, গান, নাটক, ছবি আর ফটোগ্রাফি, আলপনা, কাঁথা । এই নিয়েই হবে যত কথাবার্তা, যত বিনিময়। শিল্প দিয়েই হবে হৃদয়ের সেতু।
*প্রথম মঞ্চায়ন ঘরের মাটিতে*
মাঙ্গালোর যাওয়ার আগে, আগামী ২১শে এপ্রিল ডিহি স্কুলে মঞ্চস্থ হবে সেই নাটকের প্রথম শো। নিজের গ্রামকে দেখিয়েই শুরু হবে বাইরের পথ চলা।
আজগুবিরা তৈরি। ঝোলায় স্বপ্ন, হাতে শিল্প, বুকে সাহস। এবার শুধু যাত্রা শুরুর অপেক্ষা।