Ayesha J. Zaman

Ayesha J. Zaman

Share

Since I was a child my mother and father always raised me to help others so naturally I fell in love with this idea. Please use messenger to contact me.

It has been such a strong passion of mine that I am now a certified Life Coach

06/16/2026

মাথা থাকলে মাথা ব্যথা করবে, মন থাকলে মন খারাপও হবে।

শরীর অসুস্থ হলে আমরা ডাক্তার দেখাই, ওষুধ খাই, বিশ্রাম নিই। কিন্তু মন খারাপ হলে, কষ্ট পেলে বা ভেঙে পড়লে অনেক সময় আমরা চুপ করে থাকি।

অথচ মনেরও যত্ন দরকার।

শরীরের জন্য যেমন ডাক্তার আছে, তেমনি মনের জন্যও আছে কাউন্সেলর, লাইফ কোচ, বা একজন বিশ্বাসী বন্ধু—যার সাথে মন খুলে কথা বলা যায়।

সব ব্যথা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু সব ব্যথাই যত্ন পাওয়ার যোগ্য।

আর তাই, যখনই মন খারাপ হবে, একা ভেবে চুপ করে না থেকে সাহায্য নিতে শিখুন। এটা দুর্বলতা নয়।

আমাদের সবারই কখনও না কখনও সাহায্যের দরকার হয়—শরীরেরও, মনেরও।

শরীরের যত্ন যেমন নেন, মনের যত্নও ঠিক তেমনভাবেই নিন।❤️

06/15/2026

কেউ ভালো কিছু করলে বা মানুষের কাছ থেকে প্রশংসা পেলে, আমরা অনেকেই সেটা সহজে নিতে পারি না। মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকে, “ওর নিশ্চয়ই কোনো স্বার্থ আছে”, “ওকে কীভাবে একটু নামানো যায়”, “মানুষ ওকে এত পছন্দ করে কেন?”

এত চিন্তা করে অন্যকে নামানোর চেষ্টা না করে, নিজের দিকে একটু মন দিন। আপনিও ভালো কাজ করুন, মানুষের পাশে দাড়ান, মনটা একটু বড় করুন।

মানুষকে ছোট করে বড় হওয়া যায় না। কিন্তু মানুষকে সম্মান দিলে, ভালোবাসলে, একদিন সেই সম্মান আপনার কাছেও ফিরে আসে।

আর যদি সব সময় অন্যের দোষ খুজতেই ব্যস্ত থাকেন, তাহলে এক সময় দেখবেন আপনার আশেপাশে মানুষ কমে গেছে। সবাই দূরে সরে গেছে, আর আপনি একাই দাড়িয়ে আছেন।❤️

Photos from Ayesha J. Zaman's post 06/12/2026

রিজিক শুধু খাবার বা টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, রিজিকের সাথে সময়, সুযোগ আর দেখা-সাক্ষাৎও জড়িয়ে থাকে।

আজকে আম্মার একটা কথা খুব মনে পড়ছে। ছোটবেলায় আমাদের বাসায় দিনাজপুর থেকে অনেক মানুষ আসতেন। কেউ ডাক্তার দেখাতে, কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে, আবার কেউ চাকরির খোজে। আমি অবাক হয়ে আম্মাকে জিজ্ঞেস করতাম, “এত মানুষ আমাদের বাসায় কেন আসে?”

আম্মা হেসে বলতেন, “উনাদের রিজিক আমাদের বাসায় লেখা আছে।”

তখন কথাটার গভীরতা বুঝতাম না।

গতকাল লিপির বাসায় দাওয়াত ছিল। ওর রান্না আমার খুব পছন্দ। ভাবলাম খালি হাতে যাবো না। কচিকে বললাম, “তোমার পুডিং তো খুব ভালো হয়, একটা বানাবে?” সেও খুশি হয়ে বানিয়ে দিল। কাপড়ও বের করে রাখলাম।

কিন্তু বিকেলে হঠাৎ আমাদের এলাকায় গ্যাস লিক হলো। নিরাপত্তার কারণে কাউকে বাসায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না। বিকেল পাচটা থেকে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত আমরা বাইরে ছিলাম। অনেকেই তখনও বাসায় ফিরতে পারেনি।

আজ মনে হচ্ছে, হয়তো সেখানে যাওয়ার রিজিক আমার ছিল না। পুডিং বানানো হয়েছে, কাপড়ও বের করা ছিল, ইচ্ছারও কোনো কমতি ছিল না—তবুও যাওয়া হলো না।

তখন আবার আম্মার সেই কথাটাই মনে পড়ে, মানুষ যতই পরিকল্পনা করুক, শেষ পর্যন্ত যা আমাদের জন্য লেখা থাকে, সেটাই হয়। আর যা লেখা থাকে না, তার জন্য সব প্রস্তুতি নিয়েও অনেক সময় পৌছানো যায় না। ❤️

নিচে গতকালের গ্যাস লিকের খবরের লিংক দিলাম।

CBS Austin – Shelter-in-place lifted for Round Rock neighborhood after crews repair gas leak

https://cbsaustin.com/news/local/shelter-in-place-issued-for-round-rock-neighborhood-due-to-gas-leak

Photos from Ayesha J. Zaman's post 06/08/2026

কিছু কিছু যত্ন খুব ছোট হয়, কিন্তু মনে অনেক বড় জায়গা করে নেয়।❤️

যারা Austin-এ থাকে, তারা জানে সাথীদের বাসাটা কত সুন্দর আর বড়।

খাওয়ার পরে কেমন যেন লাগছিল। ভাবলাম একটু উপরে গিয়ে বসি। আমি যখন সিঁড়ির দিকে যাচ্ছিলাম, তখন নাসরিন বলল, “ভাবি, কোথায় যাচ্ছো?”

আমি বললাম, “উপরে যাচ্ছি।”

সে জিজ্ঞেস করল, “কীভাবে যাবে?”

আমি বললাম, “সিঁড়ি দিয়ে।”

নাসরিন সঙ্গে সঙ্গে বলল, “না, তুমি সিঁড়ি দিয়ে যেও না, লিফট দিয়ে যাও। আমি তোমার সাথে যাই।”

আমরা কিছুক্ষণ লিফটের জন্য অপেক্ষা করলাম, কিন্তু লিফট এলো না। তখন আমি বললাম, “আমি আস্তে আস্তে সিঁড়ি দিয়েই চলে যাই।”

সে কয়েকবার জিজ্ঞেস করল, “পারবে তো?”

আমি বললাম, “পারবো।”

আমি ধীরে ধীরে উপরে উঠছিলাম, আর সে নিচে দাড়িয়ে ছিল। উপরে পৌছানোর পরও জিজ্ঞেস করল, “ভাবি, ঠিক আছো তো?”

আমি বললাম, “জি, “।

বাসায় ফিরে আসার পরও কেন জানি নাসরিনের সেই কথাটা বারবার কানে ভাসছে— “ভাবি, ঠিক আছো তো?”

নাসরিন হয়তো বুঝতেই পারেনি, তার এই ছোট্ট খোজ নেওয়াটা আমার মনে কতটা ছাপ ফেলেছে। সে কোনো বড় কিছু করেনি, শুধু নিশ্চিত হতে চেয়েছিল আমি নিরাপদে উপরে পৌঁছেছি কি না। কিন্তু মানুষের প্রতি এমন আন্তরিক খেয়াল রাখা আজকাল খুব বেশি দেখা যায় না।

বড় কিছু করতে হয় না। শুধু একটু খেয়াল রাখা, একটু খোজ নেওয়া, একটু পাশে দাঁড়ানো। অনেক সময় সেই ছোট্ট যত্নটাই হৃদয়ে সবচেয়ে গভীর ছাপ ফেলে যায়।

নাসরিনের এই আচরণ আমার খুব ভালো লেগেছে। আর মনে মনে ভাবলাম, আমিও যেন অন্য কারও জন্য এমন ছোট ছোট যত্নের মানুষ হতে পারি। ❤️

05/31/2026

সম্পর্কে সবাই ভুল করে। কিন্তু একই ভুল বারবার হলে মানুষ ভুলটাকে নয়, গুরুত্বের অভাবটাকে দেখতে শুরু করে। কারণ ক্ষমা অনেক সময় পাওয়া যায়, কিন্তু একই কষ্ট বারবার পেলে বিশ্বাস ধীরে ধীরে কমে যায়। ❤️

05/26/2026

মানুষ বদলায়, সময় বদলায়,
কিন্তু ভেতরের শান্তিটা খুজে পাওয়াই
হয়তো জীবনের সবচেয়ে বড় শেখা।💕

05/24/2026

কখনো কখনো আমরা বলি —
“তুমি অনেক বদলে গেছো।”
আবার অন্য পাশের মানুষটা মনে মনে ভাবে —
“না, তুমি আমাকে বদলে দিয়েছো।”

আসলে কে কাকে বদলে দেয়?
নাকি ধীরে ধীরে জমে থাকা কিছু ভুল বোঝাবুঝি, না বলা কথা আর ছোট ছোট অভিমান দু’জন মানুষের মাঝে দূরত্ব তৈরি করে দেয়?

অনেক সময় একটা ছোট্ট ঘটনা তখন তেমন কিছু মনে না হলেও, অবচেতন মনে চুপচাপ জায়গা করে নেয়।
সেই না-পাওয়া অনুভূতি আর না-বলা কষ্ট একসময় অনেক বড় হয়ে যায়।

কিন্তু শুধু একটু মন খুলে কথা বললেই অনেক ভুল বোঝাবুঝি কমে যায়।
কারণ সব দূরত্ব রাগ থেকে তৈরি হয় না, কিছু দূরত্ব তৈরি হয় না বলা অনুভূতি থেকেও।

তাই সব কিছু মনের ভেতর জমিয়ে না রেখে, সময় থাকতে একে অপরকে বোঝার চেষ্টা করা দরকার।
আর কিছু বিষয় সময়ের উপর ছেড়ে দিতেও জানতে হয়।
কারণ সময় অনেক কিছু বদলে দেয়, আবার অনেক কিছু বুঝিয়েও দেয়।

05/21/2026
Photos from Ayesha J. Zaman's post 05/20/2026

After graduating from high school in 2017, Alexis and her twin sister went through a very difficult chapter in life. Due to personal issues with their mother, they moved to their grandmother’s house in Colorado.

Alexis had always dreamed of becoming an art teacher, so she started studying in that direction. But after some time, problems also developed between the twins and their grandmother, and they eventually lost that support as well.

Later, her sister moved away with her boyfriend, while Alexis moved to Houston on her own. She found a job, and life slowly started becoming stable. But suddenly, she lost that job too. She had some savings, which helped her survive for a while, but eventually things became so difficult that she could no longer afford rent.
For almost four months, she had to live in her car.
Some days, if she ate breakfast, she would skip lunch. At night, she might only have a canned meal or something very small to get through the day. But through it all, one thing never broke — her strength and determination.

One night, while stopping at a gas station, a strange man began following her. Frightened, she reached out to a friend for help. That night, she realized Houston was no longer the right place for her.

After that, life slowly began to change again.
She started working in Memory Care as an Activity Assistant. Through hard work and dedication, she became an Activity Director five years later. She also worked in marketing for a while, but it never truly felt right for her.
Now she works as a Volunteer Coordinator, and today she no longer has to look back at the painful parts of her life.

She has built a small, beautiful life for herself. In her free time, she loves painting, and she shares her life with her two beloved dogs — Faye and Daisy.

Life is not always easy. But when someone truly wants to move forward, they can slowly create their own path and rebuild their life.💕

05/17/2026

কেউ যদি অন্যের কথা শুনে তোমাকে না জিজ্ঞেস করেই বিশ্বাস করে ফেলে,
তাহলে হয়তো তার ভেতরের বিশ্বাসটা আগে থেকেই পুরোপুরি শক্ত ছিল না।

কারণ যে মানুষ সত্যিই তোমাকে গুরুত্ব দেয়,
সে অন্যের কথার আগে তোমার কথাটাও শুনতে চাইবে,
তোমার পাশে দাড়িয়ে সত্যটা বোঝার চেষ্টা করবে।

কাছের মানুষরা হঠাৎ করে দূরে সরে যায় না—
তারা আগে জিজ্ঞেস করে, কথা বলে, বোঝার চেষ্টা করে।

সম্পর্ক টিকে থাকে শুধু ভালোবাসায় না—
টিকে থাকে বিশ্বাস, কথা বলা, আর একে অপরকে বোঝার ইচ্ছায়।

আর কখনো কখনো, কেউ যদি না জিজ্ঞেস করেই চুপচাপ দূরে সরে যায়,
তাহলে বুঝতে হবে—সেই মানুষটা হয়তো ততটা কাছের ছিল না, যতটা তুমি ভেবেছিলে। 💕

Want your school to be the top-listed School/college in Austin?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Austin, TX
78717