To know - To inform

To know - To inform

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from To know - To inform, Education, Las Vegas, NV.

08/19/2023

╱◥██████◣
│∩│🪟▤│🪟│
▓▆▇█▓🚪▓█▇

ঘরটি সবাই কপি করতে পারেনা,আপনি ট্রাই করে দেখুন,শেয়ার করুন।🤔

07/30/2023

বাংলাদেশ 🇧🇩 থেকে ভিসা ছাড়া ৪১ টি দেশে যেতে পারবেন।

#এশিয়ার মধ্যে রয়েছে-৫ টি
১। ভুটান ২। মালদ্বীপ ৩।নেপাল ৪। শ্রীলঙ্কা ৫। পূর্ব তিমুর।

#আফ্রিকার মধ্যে রয়েছে-১৬ টি
৭। বেনিন ৮। কেপ ভার্দ ৯। কমোরো দ্বীপপুঞ্জ ১০। জিবুতি ১১। গাম্বিয়া ১২। গিনি বিসাউ ১৩। কেনিয়া ১৪। লেসোথো ১৫। মাদাগাস্কার ১৬। মৌরিতানিয়া ১৭। মোজাম্বিক ১৮। রুয়ান্ডা ১৯। সিসিলি ২০। সোমালিয়া ২১। টোগো ২২। উগান্ডা।

#আমেরিকার মধ্যে রয়েছে-১ টি
২৩। বলিভিয়া

#ওশেনিয়া অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে-৭ টি
২৪। কুক আইল্যান্ডস ২৫। ফিজি ২৬। মাইক্রোনেশিয়া ২৭। নিউই ২৮। সামাউ ২৯। ত্রিভালু ৩০। ভানুয়াতু।

#ক্যারিবীয় অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে-১২ টি
৩১। বাহামা ৩২। বার্বাডোজ ৩৩। ব্রিটিশ ভার্জিনিয়া আইল্যান্ডস ৩৪। ডোমিনিকা ৩৫। গ্রেনাডা ৩৬। হাইতি ৩৭। জামাইকা ৩৮। মন্টসেরাত ৩৯। সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস ৪০। সেন্ট ভিনসেন্ট
৪১। ত্রিনিদাদ ৪২। টোব্যাগো।

07/24/2023

জীবন্ত কবর দেওয়া বাংলার নবাব কন্যার রহস্যময় ইতিহাস ।

বাংলার ইতিহাসে ঐশ্বর্য বৈভবের ছোঁয়ার পাশাপাশি রহস্যময়তাও কিছু কম নেই। নবাব-বেগমদের জীবন যেমন রহস্যময় ছিল, তেমনি বেশ কিছু নবাব এবং বেগম কুখ্যাত ছিলেন তাদেরই নিষ্ঠুরতার কারণে। তেমনই এক নিষ্ঠুর বেগম ছিলেন আজিমুন্নিসা বা জিন্নতউন্নিসা। তার অন্য নাম জায়নাব উন্নিসা। যে নারীর কঠোর হৃদয় দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল স্বয়ং তার পিতা। বেগম আজিমুন্নিসা ছিলেন বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদকুলি খাঁর পালিতা কন্যা। তার বেগম নৌসেরী বানু ছিলেন সন্তানহীনা।

মুর্শিদকুলি খাঁ বাংলার প্রথম নবাব ছিলেন। তার বেগম নৌর্সেরি বানু ছিলেন সন্তানহীনা। তাই এক পুত্র ও দুই কন্যাকে তারা লালন পালন করেন। কন্যারা হলেন আজামাতুননিসা এবং আজিমুন্নিসা। মুর্শিদকুলি খাঁ তার কন্যাদের বিয়ে দেন উড়িষ্যার নবাব সুজাউদ্দিন মোহাম্মদ খানের সঙ্গে। যিনি পরে সুজাউদ্দৌলা নামে মুর্শিদাবাদের সিংহাসনে বসেন। সুজাউদ্দিন ছিলেন মুর্শিদাবাদের তৃতীয় স্বাধীন নবাব। তার পত্নী আজিমুন্নিসা বেগম ছিলেন সেই সময়কার সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং ধনশালী মহিলা।

একবার তিনি অত্যন্ত দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হন । তার পিতা নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ এবং স্বামী সুজাউদ্দৌলা অনেক ডাক্তার, কবিরাজ, হাকিম ডাকেন তাকে সুস্থ করে তোলার জন্য। কিন্তু কোন কিছুতেই তিনি সুস্থ হচ্ছিলেন না। অবশেষে এক হাকিম তার এই দুরারোগ্য অসুখ সারাতে সমর্থ হন। ওষুধের পথ্য হিসেবে তিনি যা দিয়েছিলেন শুনলে সকলের গায়ে কাঁটা দেবে।

সেটি হলো তিনি বেগমকে প্রত্যেকদিন একটি করে শিশুর কলিজা অর্থাৎ হৃদপিণ্ড খাওয়ার পরামর্শ দেন। হাকিম এর কথা অনুযায়ী বেগম প্রত্যেকদিন একটি করে শিশুর কলিজা খেতে থাকেন। কিছুদিন পর তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যান। কিন্তু শিশুদের কলিজা খাওয়া তার নেশায় পরিণত হয়। আজিমুন্নেসা বেগম সেই সময়কার অত্যন্ত প্রভাবশালী নারী ছিলেন।

তাই তার অনুচরেরা তার কথামতো প্রত্যেকদিন একটি করে শিশুর কলিজা তাকে এনে দিতেন। এমনিভাবে বেশ কিছুদিন চলার পর খবরটি নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ এর কানে ওঠে । তিনি ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অনুসন্ধান শুরু করেন। শেষে যখন দেখা যায় ঘটনাটি সত্য ,তখন তিনি এ ঘটনার শাস্তি স্বরূপ কন্যা আজিমুন্নিসাকে জীবন্ত সমাধি দেন।

আবার অনেকের মতে নবাব সুজাউদ্দৌলা তার স্ত্রীকে জীবন্ত সমাধির আদেশ দিয়েছিলেন, কারণ তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক একেবারেই ভালো ছিল না। আজিমুন্নেসা সব সময় স্বামীর চরিত্র নিয়ে সন্দেহ করতেন এবং বিভিন্ন বিষয় তাদের মধ্যে মতবিরোধ লেগে থাকত। আজিমুন্নেসা অত্যন্ত স্বাধীনচেতা প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তিনি পিতা মুর্শিদকুলি খাঁ এর মত একটি মসজিদ নির্মাণ করেন এবং সে মসজিদের নিচেই নিজের সমাধি তৈরি করে রাখেন।

পরবর্তীতে সেই সমাধিস্থলেই তাকে জীবন্ত সমাধি দেওয়া হয়। আজিমুন্নেসা মনে করতেন তার সমাধির ওপরে পুণ্যবান মানুষের পায়ের ছাপ পড়লে তাদের চরণ স্পর্শে তার সমস্ত পাপ স্খলন হবে এবং তিনি মুক্তি লাভ করবেন ‌। আজিমুন্নেসা বেগম এর সমাধির উপরে আরো একটি সমাধি দেখতে পাওয়া যায়। তবে এই সমাধিটি আসলে কার সেটি সঠিকভাবে জানা যায়নি। কেউ কেউ বলেন সমাধিটি সেই হাকিমের আবার কেউ কেউ বলেন সমাধিটির বেগমের বিশ্বস্ত এক অনুচরের।

২৮৫ বছর আগে ঘটা ঘটনার অমীমাংসিত রহস্য আজও মুর্শিদাবাদের আনাচে কানাচে ঘুরে বেড়ায়। আজিমুন্নেসা বেগমের মসজিদটি প্রবল ভূমিকম্পে ধ্বংস হয়ে যায়, তবে এর কারুকার্য করা একটি দেওয়াল এখনো বর্তমান। এই মসজিদটির সঙ্গে মুর্শিদকুলি খাঁ এর নির্মিত কাটরা মসজিদ এর অনেক মিল পাওয়া যায়।

১৯৮৫ সালে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগ এই ভগ্নপ্রায় মসজিদটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেন। এবং তারপরেই এটিকে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। ১৭৩৪ সালে নির্মিত এই মসজিদটিতে ঠিক কবে যে আজিমুন্নিসা বেগমকে জীবন্ত সমাধি দেয়া হয়েছিল তা ইতিহাস মনে রাখার প্রয়োজন মনে করেনি। তাই তার মৃত্যুর সঠিক সময়টি অজানাই রয়ে গেছে। এখন মুর্শিদাবাদের লালবাগের আজিমুন্নেসা বেগমের জীবন্ত সমাধি দর্শনে আসেন বহু মানুষ। তাদের চরণ স্পর্শে বেগমের মুক্তিলাভ ঘটেছে কিনা জানা নেই তবে তার জীবদ্দশায় তার করা কুকীর্তির কথা শুনে সকলেই মনে মনে শিহরিত হয়ে ওঠেন এটা এক বাক্যে বলা যায়।

সিঁড়ির নিচে সমাধি হলেও সেখানে আছে প্রশস্ত কক্ষ। ঐ কক্ষেই আজিমুন্নেসার সমাধি। কথিত আছে, সাধারণ মানুষের পদধূলিতে তার শিশু হত্যার পাপমোচনের জন্য মসজিদে ওঠার সিঁড়ির নিচে তাকে জীবন্ত সমাহিত করা হয়। আজিমুন্নেসার সমাধির উপরে আরো একটি সমাধি দেখতে পাওয়া যায়। তবে সেটি কার সমাধি তা কারো জানা নেই। অনেকেই বলেন, সমাধিটি সেই হাকিমের। আবার কারো মতে, বেগমের বিশ্বস্ত এক অনুচরের। আজিমুন্নিসার জীবন্ত কবর দেয়ার বিষয়ে ইতিহাসে নানা রকম ঘটনার প্রচলন রয়েছে।

জানা যায়, স্বামী থাকা সত্তেও প্রতি রাতে কোনো না কোনো সুপুরুষের সঙ্গে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হতেন। যাতে এই কথা কেউ জানতে না পারে সেইজন্য দৈহিক মিলনের পর খাবারে বিষ প্রয়োগ করে প্রতিটি পুরুষকেই হত্যা করতেন। নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ, তার মেয়ের এই হত্যালীলার কথা জানতে পারেন। পরে এই স্থানে তার মেয়েকে জীবন্ত সমাধিস্থ করেন।

আজিমুন্নিসা অত্যন্ত স্বাধীনচেতা প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তিনি পিতা মুর্শিদকুলি খাঁ এর মত একটি মসজিদ নির্মাণ করেন এবং সেই মসজিদের নিচেই নিজের সমাধি তৈরি করে রাখেন। পরবর্তীতে সেখানেই জীবন্ত সমাধি দেয়া হয় তাকে। আজিমুন্নিসা মনে করতেন তার সমাধির ওপরে পুণ্যবান মানুষের পায়ের ছাপ পড়লে তাদের চরণ স্পর্শে তার সমস্ত পাপ মুছে যাবে এবং তিনি মুক্তি লাভ করবেন‌। মৃত্যুর পরে সেখানেই তাকে সমাধিস্ত করা হয়। পরবর্তীতে যা ভূমিকম্পে প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়। আজিমুন্নিসা বেগম এর সমাধির উপরে আরো একটি সমাধি দেখতে পাওয়া যায়।


তবে এই সমাধিটি আসলে কার সেটি সঠিকভাবে জানা যায়নি। কেউ কেউ বলেন, সমাধিটি সেই হাকিমের আবার কেউ কেউ বলেন, সমাধিটি বেগমের বিশ্বস্ত এক অনুচরের। ২৮৫ বছর আগের ঘটা ঘটনার অমীমাংসিত রহস্য আজো মুর্শিদাবাদের আনাচে কানাচে ঘুরে বেড়ায়।

আজিমুন্নিসা বেগমের মসজিদটি প্রবল ভূমিকম্পে ধ্বংস হয়ে যায়, তবে এর কারুকার্য করা একটি দেওয়াল এখনো বর্তমান। এই মসজিদটির সঙ্গে মুর্শিদকুলি খাঁ’র নির্মিত কাটরা মসজিদ এর অনেক মিল পাওয়া যায়। অন্য একটি মত থেকে পাওয়া যায়, আজিমুন্নিসা কাটরা মসজিদের অনুকরণে একটি ছোট মসজিদ এখানে নির্মাণ করেন।

১৯৮৫ সালে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগ এই ভগ্নপ্রায় মসজিদটির রক্ষণাবেক্ষণ করে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়। নবাব কন্যা আজিমুন্নেসার জীবন্ত কবর দেখতে এরপর থেকে আজও মানুষের ভিড় লেগেই থাকে সমাধিস্থলে। আজিমুন্নেসার জীবন্ত কবরের প্রচলিত কাহিনী শুনে সবাই শিহরিত হয়ে ওঠেন।

#সংগৃহীত_পোষ্ট

07/20/2023

ডা. মরিচ বুকাইলি বিস্মিত হয়ে তাকিয়ে আছেন ফেরাউনের মমি করা লাশের দিকে। রাত গভীর হয়েছে। কিন্তু তিনি হিসেব মেলাতে পারছেন না৷ এ কী করে সম্ভব! কী এমন রহস্য লুকিয়ে থাকতে পারে এর পেছনে! শত শত বছর ধরে মেডিকেল সায়েন্সকে একপ্রকার বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একটি লাশ কীভাবে টিকে থাকল! লাশের দেহে পাওয়া গেছে লবন, যা প্রমাণ করে—এটিকে সমুদ্র থেকে তোলা হয়েছে। কিন্তু ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ কেন কার্যকর হলো না লাশের শরীরে!

বলছি প্যারিসের এক ল্যাবরেটরির কোনো এক মধ্যরাতের দৃশ্যপট নিয়ে। এই দৃশ্যপটটি যে সময় সংঘটিত হচ্ছিল, সে সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঁসোয়া মিত্রা। তিনি মিসর সরকারের কাছে অনুরোধ করেছিলেন—তার দেশ ফেরাউনের মমিকে ফ্রান্সে নিতে চায়। উদ্দেশ্য মমিটি নিজেদের আয়ত্বের ভেতরে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা করা। সে সময়কার মিসর সরকার ফ্রান্সের এই অনুরোধ বিবেচনা করে সায় দিলো তাতে। মিশরের রাজধানী কায়রো থেকে ফেরাউনের মমি নিয়ে আকাশে ওড়া বিমানটির গন্তব্য প্যারিস।

বিমান যথারীতি পৌঁছে গেল প্যারিস এয়ারপোর্টে। ফেরাউনের মমি করা লাশ বিমান থেকে অবতরণ করল অনেকটা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়। এককালের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী মিশর শাসক বলে কথা! মমিকে স্বাগত জানাতে বিমান বন্দরে স্বয়ং উপস্থিত হয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। সাথে উজির নাজির অমাত্যবর্গ। বিমানের সিঁড়ি দিয়ে ফেরাউনের মমি নামানো হচ্ছে। সবার মধ্যেই টান টান উত্তেজনা। সামনে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রীবর্গ এবং ফ্রান্সের সিনিয়র অফিসারগণ। কুর্নিশ করে ফেরাউনকে স্বাগত জানালেন তারা।

জমকালো প্যারেডের মাধ্যমে রাজকীয়ভাবে বরণ করে নেওয়া হলো এককালের মিশর অধিপতি ফেরাউনের মমি করা লাশকে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ফ্রান্সের প্রত্নতাত্ত্বিক কেন্দ্রের একটা বিশেষ ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হলো মমি, যেখানে অপেক্ষমান ফ্রান্সের সবচেয়ে বড়ো সার্জনগণ। তারা ফেরাউনের মমির ময়নাতদন্ত করে সেটা নিয়ে স্টাডি করবেন। এই মমির টিকে থাকার পেছনের গোপনীয়তা আবিষ্কার করাই তাদের লক্ষ্য। উদঘাটন করবেন এর হাজার হাজার বছর ধরে অবিকল টিকে থাকার গভীর এবং জটিল রহস্য।

এই গবেষক দলের প্রধান ডা. মরিস বুকাইলি। গবেষক দলের মধ্যে যারা থেরাপিস্ট ছিলেন, তারা চাচ্ছিলেন—ক্ষত অংশগুলো ঠিক করে মমিটিকে পুনর্গঠন করবেন। কিন্তু ডা. মরিস বুকাইলির দৃষ্টি ছিল ভিন্ন দিকে। তিনি প্রথমেই ফেরাউনের মৃত্যুরহস্য উদঘাটন করতে চাচ্ছিলেন। এ নিয়েই ভাবতে শুরু করলেন তিনি। অবশেষে দীর্ঘ গবেষণার একপর্যায়ে মৃত্যুরহস্য স্পষ্ট হয়ে উঠল তাঁর কাছে। পানিতে ডুবেই যে ফেরাউনের মৃত্যু হয়েছে, এ বিষয়ে নিশ্চিত হলেন তিনি। কিন্তু লাশটি টিকে থাকল কীভাবে, সেই রহস্যের কোনো কুল-কিনারা করতে পারলেন না। ব্যাকটেরিয়া এখানে অকার্যকর কেন?

অতঃপর ডা. মরিচ বুকাইলি রিপোর্ট তৈরি করলেন এবং বললেন, 'এটি এক নতুন আবিষ্কার, যা আধুনিক বিজ্ঞানের উন্নতির জন্য সহায়ক হতে পারে।' এরমধ্যে তাঁর এক কলিগ জানালেন—ফেরাউনের ডুবে যাওয়া এবং তার লাশ সংরক্ষণের ব্যাপারে মুসলিমদের ধর্মীয় পুস্তক আল কুরআনে বলা হয়েছে। কথাটা বিস্মিত করল ডা. মরিসকে। তিনি পালটা প্রশ্ন করলেন, 'এটা কীভাবে সম্ভব? এই মমি পাওয়া গেছে সবেমাত্র সেদিন; ১৮৮১ সালে, আর কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে! আরবের লোকজন প্রাচীন মিসরীয়দের মমি করার পদ্ধতি জানতোই না। আমরাই তো এটা জানলাম মাত্র কয়েক দশক আগে!'

ডা. মরিস বুকাইলি সেই রাতে ফেরাউনের লাশের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে দীর্ঘসময় বসে রইলেন। গভীরভাবে ভাবতে লাগলেন তাঁর কলিগের কথাটি। বাড়তে থাকল তাঁর কৌতূহল। এ বিষয়ে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত তথ্যগুলোর খোঁজ নিতে লাগলেন। তিনি দেখলেন—বাইবেলে ফেরাউন কর্তৃক মুসা আলাইহিস সালামের পিছু নেওয়ার কথা বলা হলেও শেষমেষ ফেরাউনের লাশের কী হয়েছিল, সে সম্পর্কে কিছুই বলা নেই। তিনি ভেবে পেলেন না—আরবের মরুভূমির এক নিরক্ষর মানুষের আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে এমন একটি তথ্য তাহলে কী করে জানবার কথা! এ তো অবিশ্বাস্য!

নাছোড়বান্দা ডা. বুকাইলি। তিনি মরিয়া হয়ে উঠলেন প্রশ্নগুলোর উত্তর জানবার জন্য। তিনি এ-ও বুঝতে পারলেন—এসব প্রশ্নের উত্তর হুবহু পেতে হলে তাঁকে ধর্মীয় গ্রন্থগুলো অধ্যয়ন করতে হবে। সেগুলোতে উপস্থাপিত তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখতে হবে তাঁকে। সে রাতে নির্ঘুম রাত কাটালেন তিনি। এরপর তাওরাত (তোরাহ্) সংগ্রহ করলেন। দেখলেন—তাওরাতে লেখা রয়েছে, 'পানি এলো এবং ফেরাউনের সৈন্য ও তাদের যানবাহনগুলোকে ঢেকে দিলো। যারা সমুদ্রে ঢুকল, তাদের কেউই বাঁচতে পারল না।' কিন্তু ফেরাউনের লাশ সংরক্ষণের ব্যাপারে কিছুই বলা নেই তাওরাতে। তাহলে ইসলামের নবি মুহাম্মাদ এই তথ্য কী করে জানলেন!

এ পর্যায়ে ডা. মরিস কোনো একটি মুসলিম দেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। উদ্দেশ্য—সেখানকার প্রখ্যাত অটোপসি বিশেষজ্ঞ মুসলিম ডাক্তারের সাক্ষাৎকার নেওয়া। পরিকল্পনা অনুযায়ী মুসলিম ডাক্তারের সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে তাঁর সমগ্র গবেষণার ফলাফল অবহিত করলেন এবং এ বিষয়ে কুরআনের কোনো বক্তব্য সত্যিই রয়েছে কি না জানতে চাইলেন। তখন মুসলিম বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পবিত্র কুরআন খুললেন এবং সংশ্লিষ্ট আয়াতটি ডা. মরিসকে পড়ে শোনালেন। আয়াতটি এমন, 'সুতরাং আজ আমি তোমার দেহটি সংরক্ষণ করব, যাতে তুমি তোমার পরবর্তীদের জন্য নিদর্শন হয়ে থাক। আর নিশ্চয় অনেক মানুষ আমার নিদর্শনসমূহের ব্যাপারে গাফেল।' [সূরা ইউনুস : ৯২]

কুরআনের এই আয়াতটি শোনার পর সত্যি সত্যিই হতভম্ব হয়ে পড়লেন ডা. মরিচ বুকাইলি। সেই মুহূর্তে তাঁর মনে হলো—এই গ্রন্থটি মানুষের রচিত হওয়া কোনোভাবেও বাস্তবসম্মত নয়৷ আরবের মরুভূমিতে দাঁড়িয়ে শত শত বছর আগে মিশরে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার এমন বিবরণ দেওয়া একজন নিরক্ষর মানুষের পক্ষে রীতিমতো অসম্ভব।
কুরআনের এই অভিনব সত্য দর্শনে সেই মুহূর্তেই তিনি জোর গলায় চিৎকার দিয়ে ঘোষণা দিলেন, 'আমি ইসলামে বিশ্বাস করি, আমি এই কুরআনে বিশ্বাস করি।'

এ ঘটনার পর ফ্রান্সে ফিরে গেলেন ডা. মরিস বুকাইলি। কিন্তু তখন তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক মানুষ। বিশ্বাসের হিরণ্ময় জ্যোতিতে উদ্ভাসিত৷ পরবর্তী ১০ বছর পেশাগত ডাক্তারি প্রাকটিস বন্ধ রাখলেন এবং গভীর সাধনার মধ্য দিয়ে শিখে ফেললেন আরবি ভাষা। এরপর সমগ্র কুরআন আদ্যোপান্ত গবেষণা করলেন তিনি। সবকিছুই বিস্মিত করছিল তাঁকে। সেই অভিজ্ঞতাকে ব্যবহার করে লিখে ফেললেন পৃথিবীবিখ্যাত বই, 'Bible Quran & Science.' এই বই পৃথিবীর অন্তত ৫০টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। বইটির একটি উক্তি হলো, 'The Quran does not contain a single statement that is assailable from a modern scientific point of view'. অর্থাৎ কুরআনে এমন একটি তথ্যও নেই, যা আধুনিক বিজ্ঞানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

'কুরআন সাধকদের গল্প-২'/ লাবিব আহসান


#তথ্যসূত্র :
1. The story of Maurice Bucaille’s inspiring conversion to Islam-ARAB NEWS.

2. The men who never became Muslims : The cases of Dr. Keith Moore & Dr. Maurice Bucaille.

3. Maurice Bucaille Embraces Islam.

4. Professor Maurice Bucaille and Pharaoh Ramesses.

6. Lecture of Dr. Zakir Naik.

7. Dr. Maurice Bucaille Converted to islam after a deeper study about Pharaoh.

8. Somewhereinblog.

07/10/2023

হাহা (😂🤣) দিয়ে বলটির দিকে তাকান আর ম্যাজিক দেখুন 😱

06/19/2023

Our Beloved Prophet Hazrat Muhammad (PBUH) 🧡🌼

05/06/2023

বিদেশে পড়তে চান? তাহলে লেখাটা আপনার জন্যই

বর্তমানে হাজারো শিক্ষার্থী বিদেশি পড়াশোনা জন্য মুখিয়ে আছে। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিদেশ পড়ার আগ্রহ বেশি তৈরি হয়েছে অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে।

১. নামের বানান: অনেকেরই পাসপোর্ট এর সাথে সার্টিফিকেটের নামের বানানের বেশ গরমিল পাওয়া যায়। এমন অসুবিধা থাকলে সময় নিয়ে সেগুলো সঠিক করে ফেলুন। তবে মনে রাখতে হবে আমাদের দেশের ভোটার আইডি কার্ড সাধারণত ইউরোপ আমেরিকা যাবার ক্ষেত্রে কোন ভূমিকা রাখেনা অতএব এনআইডি কার্ডে নামের বানান ভুল থাকলেও সেটা নিয়ে মাথা ঘামানোর কোন প্রয়োজন নেই।

বাবা মায়ের নামের বানান: বাবা-মা যদি আপনার ফিনান্সিয়াল স্পন্সর না হয় তাহলে তাদের নামের বানান আপনার ডকুমেন্টস এর সাথে মিল না থাকলেও কোন সমস্যা নেই কারণ তাদের কোন ডকুমেন্টসই আপনার ভিসা অ্যাপ্লিকেশন এর সাথে জমা দিতে হয়না। কিন্ত যদি তারা যদি স্পন্সর হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে নামের বানান অবশ্যই ঠিক করতে হবে।

২. পাসপোর্ট তৈরি: পাসপোর্ট তৈরির সময় নামের বানান পূর্বের সার্টিফিটের মতো এবং স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানার দিকে খেয়াল রাখবেন, এমন যেন না হয় জন্মসনদে আছে এক রকম ঠিকানা কিন্তু পাসপোর্টে অন্যভাবে এসেছে।

৩. SSC, HSC, Hons, Masters: প্রতিটি পরীক্ষা পাসের সার্টিফিকেট এবং মার্কশিট অরিজিনাল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে তুলে রাখবেন এবং সেগুলো সত্যায়িত করে রাখবেন প্রয়োজন হোক অথবা না হোক।

৪. IELTS : আজকাল ইউরোপ আমেরিকা অস্ট্রেলিয়া কানাডা সহ প্রায় প্রত্যেকটি দেশে স্টাডি করতে ইএলটস প্রয়োজন হয় কিছু দেশ ছাড়া যেমন হাঙ্গেরী, ফিনল্যান্ড।IELTS আপনার প্রয়োজন হোক অথবা না হোক নিজের ইংলিশ ডেভেলপমেন্ট এর জন্য অবশ্যই আইএলটিএস স্কোর করে রাখবেন। এতে আপনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আবেদন করার সুযোগ বেশি পাবেন অন্যদিকে ভিসা প্রাপ্তির সুবিধাও।

৫. স্কলারশিপ: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্কলারশিপ অফার করে। অবশ্যই আপনাকে প্রয়োজনীয় শর্তাদি পূরণ করতে হবে সে ক্ষেত্রে GRE, GMAT বা SAT এর মতো স্কোর প্রয়োজন হতে পারে।

৬. রিকমেন্ডেশন লেটার: সাধারণত কানাডা অস্ট্রেলিয়া বা আমেরিকার ক্ষেত্রে রিকমেন্ডেশন লেটার খুব বেশি প্রয়োজন হয়। এজন্য আগেভাগেই আপনি আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের সাথে বিষয়টি আলাপ করে রেকমেন্ডেশন লেটার সংগ্রহ করে রাখতে পারেন অন্তত দুইজন শিক্ষকের কাছ থেকে।

৭. SOP/ মোটিভেশনাল লেটার: বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য SOP বা মোটিভেশনাল লেটার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করে কারণ আপনার মোটিভেশনাল লেটার এর মধ্যেই সব কিছু তুলে ধরা হয় সে ক্ষেত্রে একজন ভিসা অফিসার আপনার মোটিভেশন লেটার দেখেই বুঝতে পারে আপনার উদ্দেশ্য। এক্ষেত্রে একটু সময় নিয়ে ধীরে সুস্থে অভিজ্ঞ মানুষদের পরামর্শ আপনি লেখাটি সম্পন্ন করতে পারেন।

৮. কান্ট্রি সিলেকশন এবং এডমিশন: আপনি উচ্চ শিক্ষার জন্য কোন দেশে যাবেন সেটি অবশ্যই আপনাকে আপনার যোগ্যতার সাথে মিল রেখে নির্বাচন করতে হবে এবং প্রত্যেক দেশে এডমিশনের জন্য নির্দিষ্ট সময় রয়েছে সেই সময়ের আগেই আপনাকে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যে যে বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করবেন সে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের ডেডলাইনের দিকে খেয়াল রাখা এবং সে অনুযায়ী আগে থেকেই আবেদন করা।

৯. ভলেন্টিয়ারিং: ভলেন্টিয়ারিং গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন, স্কলারশিপ বিভিন্ন সুবিধা পেতে হলে ভলেন্টিয়ারিং আপনার সহায়ক হিসেবে ভূমিকা পালন করতে পারে সেক্ষেত্রে আপনি এ বিষয়টির দিকে আগেভাগেই নজর দিতে পারেন।

১০. রান্নাবান্না: না জানা অপরাধ না কিন্ত নিজের প্রয়োজনে শিখে রাখা ভালো কারণ বিদেশ যার যার তার জীবন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে নিজের রান্না করে খেতে হবে। সুতরাং আগে থেকেই দেশ থেকে রান্না শিখে যাওয়া টা ভালো।

১১. ড্রাইভিং লাইসেন্স: অবশ্যই বিদেশ যাওয়ার আগে ড্রাইভিং শিখে যাবেন না হলে পরে পস্তাবেন। ড্রাইভিং লাইসেন্স করে নিয়ে যাবেন। আর যদি সম্ভব হয় তাহলে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখতে পারেন। কাজে দিতে পারে।

১২. বেসিক কম্পিউটার স্কিল: বিদেশে পড়তে যাওয়া লাগে অবশ্যই microsoft office, power point, Excell, basic গ্রাফিক্স ডিজাইন এগুলো শিখে গেলে আপনার জন্য শুবিধা হবে।

১৩. ভাষা: যে দেশে পড়তে যাবেন সম্ভব হলে কিছু শিখে যেতে পারেন। একান্তই যদি না পারেন তবে ওই দেশে গিয়ে ভাষা শিখে নিতে পারেন।

Kiron Md. Abdul Munem

#সংগৃহীত

05/06/2023

ছবিতে দেখা যাচ্ছে- একজন লোক একটি হাতিকে ধাক্কা দিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উপরে তুলছে। এমন নয় যে, লোকটির ধাক্কায় হাতিটি উপরে উঠে যাবে। বিষয়টি হলো- লোকটি হাতির পেছনে হাত রাখাতে হাতিটি বুঝতে পারছে তাকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য কেউ আছে। এই ভরসায় হাতিটি সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে সমর্থ হবে। এটাই প্রেরণা। জীবনে প্রত্যেক টা সফল মানুষের পিছনে একটা গল্প থাকে।

আমাদের মধ্যে এমন অনেক লোক আছেন যারা ব্যর্থ হয়েছেন, কারণ তাদের সমর্থন বা উৎসাহ দেওয়ার মতো কেউ ছিলো না; উঠে দাঁড়ানোর জন্যেও কারো হাত লাগে।

আমরা অন্যকে সহযোগিতা করতে সক্ষম নাও থাকতে পারি; তবে কারো কঠিন সময়ে তার পাশে থেকে উৎসাহ নিশ্চয়ই দিতে পারি। ভালোবাসা, ইতিবাচক সহযোগিতা এবং ভরসার মাধ্যমে যদি কেউ উঠে দাঁড়াতে পারে, কারো জীবন পরিবর্তন হয়, এর চেয়ে উত্তম কাজ আর কিছু নেই।

04/28/2023

ভাতিজা তোমার প্রিয় খাবার কি ??? 🐸😂

তোমার প্রিয় খাবারের নাম কমেন্টে জানিয়ে দাও ভাতিজার মতো 🤩🤪





01/16/2023

অনেক বড় এক কোম্পানী হঠাৎ করে ব্যবসায় লোকসান করে বসলো। এক দুপুরে সেই কোম্পানীর কর্মচারীরা বাইরের ক্যান্টিনে লাঞ্চ করে ফেরার সময় অফিসের প্রবেশমুখে একটি নোটিশ দেখতে পেল। নোটিশে লেখা ছিল...

'আমাদের কোম্পানীর লোকসানের জন্য যে ব্যক্তিটি দায়ী সে গতকাল মারা গেছে। সেমিনার রুমে একটি কফিনে তার লাশ রাখা হয়েছে। যে কেউ তা দেখতে চাইলে আমন্ত্রিত।'

একজন সহকর্মীর মত্যুর খবর শুনে প্রথমে লোকেরা দুঃখ পেল। তবে এরপর তারা কৌতুহলী হয়ে উঠলো এই ভেবে যে আসলে কে হতে পারে সেই ব্যক্তি।

তারা সবাই সেমিনার রুমে এসে একত্রিত হলো,সবাই ভাবতে লাগলো,'আসলে কে সেই লোক যে আমাদের সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল? তবে সে যেই হোক, এখন অন্তত সে আর বেঁচে নেই।

একে একে তারা যখন কফিনের কাছে গেল এবং ভেতরে তাকালো হঠাৎ তারা কেমন যেন বাকশূন্য হয়ে গেল, হতভম্ভ হয়ে গেল। যেন তাদের খুব আপন কারো লাশ সেখানে রাখা ছিল।

কফিনের ভেতর আসলে রাখা ছিল একটা আয়না। যেই ভেতরে তাকিয়েছিলো সে তার নিজে চেহারাই দেখতে পাচ্ছিলো। আয়নার একপাশে একটা কাগজে লেখা ছিল; তোমার সাফল্যের পথে বাধা দিতে সক্ষম শুধুমাত্র একজনই আছে গোটা পৃথিবীতে, আর সে হচ্ছো 'তুমি' নিজে।

তুমিই সেই একমাত্র ব্যক্তি যে তোমার জীবন পরিবর্তন আনতে পারে, তোমাকে সুখী করতে পারে, তোমাকে সাহায্য করতে পারো,সুখী করতে পারো। তোমার জীবন তখন বদলে যায় না যখন তোমার অফিসের বস বদলায়,যখন তোমার অভিভাবক বদলায়,তোমার বন্ধুরা বদলায়, তোমার জীবন তখনই বদলায় যখন তুমি নিজে বদলাও। তোমার সক্ষমতা সম্পর্কে তোমার নিজের বিশ্বাসের সীমাটা যখন তুমি অতিক্রম করতে পারো, শুধু তখনই তোমার জীবন বদলায়,পূরন হয় জীবনের লক্ষ্য গুলো। নিজের আলোয় আলোকিত করো চারপাশ।

01/04/2023

তাহলে এমনটাই ছিলো কুরুলুস উসমান সিজন ৪ এর স্টেডিয়াম!
প্রাচীন গ্রীক নগর অ্যাফ্রোডিজিয়াসের বর্তমান অবস্থান তুরস্কের আয়দিন প্রদেশের গেয়রি গ্রামে। ছবিতে আপনি দেখছেন অ্যাফ্রোডিজিয়াসের স্টেডিয়াম। একসময় এখানে নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন করা হতো। ৭ম শতকে এক ভূমিকম্পে এটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেই চল ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায়। ৮৯০ ফুট দীর্ঘ এই স্টেডিয়াম চওড়ায় প্রায় ২০০ ফুট। প্রায় ৩০,০০০ দর্শক বসার জন্য এতে ৩০ সারি আসনের ব্যবস্থা ছিল।

#সংগৃহীত_পোস্ট

Want your school to be the top-listed School/college in Las Vegas?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Las Vegas, NV
89101